যুবসমাজ গেমিং ইন্ডাস্ট্রিকে যতই আপন করে নিক না কেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গেমের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা চোখে পড়ে অত্যধিক রকম ভাবেই। পড়াশোনার ক্ষেত্রে গেমিং সবথেকে বড় শত্রু, এমন কথাও শোনা যায়। ই-স্পোর্টস (eSports)-কে প্রফেশনাল গেমের স্বীকৃতি দেওয়া তো দূরের কথা, গেম খেলতে দেখলেই সেই গেম ব্যান করে দেওয়ার দাবি উঠতে থাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে সেই সমস্ত ঘটনাকে দূরে ঠেলে দিয়ে এবার ই-স্পোর্টস কে আপন করে নিল থাইল্যান্ড। ই-স্পোর্টসকে এখন থেকে তারা অফিশিয়াল স্পোর্টস হিসাবে গণ্য করা শুরু করেছে তাদের দেশে।
eSports কে আপন করে নিল থাইল্যান্ড
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে থাই স্পোর্টস ফেডারেশন এক ফেসবুকে পোস্ট করেছে। যেখানে তারা থাইল্যান্ডের রয়েল গেজেট থেকে এক ঘোষণাপত্র শেয়ার করেছে। যার মধ্যেই এই তথ্য পাওয়া গেছে। ই-স্পোর্টসই হল থাইল্যান্ডের 14 তম প্রফেশনাল স্বীকৃতি পাওয়া স্পোর্টস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে ফুটবল, ভলিবল, মোটরসাইকেল রেসিং, গলফ, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদির মতো গেমকে প্রফেশনাল স্পোর্টসের তকমা দেওয়া হয়েছে। তারপরেই এই লিস্টে যোগ হল ই-স্পোর্টসও।
জেনেনিন : ধামাকা অফার! Reliance Jio-র এই প্ল্যান গুলিতে পেয়ে যান 20% Cashback বেনিফিট, এখুনি জেনেনিন কিভাবে
এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস ফেডারেশন এর তরফ থেকে থাইল্যান্ডকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়েছে তাদেরকে। এখনো পর্যন্ত ব্রাজিল, ইউনাইটেড স্টেটস, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, জার্মানি, রাশিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইটালি, ইউক্রেন, ডেনমার্ক, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান- এই কয়েকটি দেশ ই-স্পোর্টসকে প্রফেশনাল স্পোর্টসের স্বীকৃতি দিয়েছে। তারই সাথে সাউথ কোরিয়াতো রয়েছেই। এবার এই দলে যোগ হয়ে গেল থাইল্যান্ডও।
এবার থাইল্যান্ডের পথ অনুসরণ করে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোও এই কাজ করবে কিনা সেটাই দেখার। আপনিও কি চান ই-স্পোর্টসকে প্রফেশনাল স্পোর্টসের স্বীকৃতি দেওয়া হোক? এই বিষয়ে আপনার কি মতামত? অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না।

